বিদ্যালয়ের ইতিহাস
মানুষের আলোকিত জীবনের প্রথম সোপান শিক্ষা। শিক্ষা ছাড়া জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতি কল্পনাও করা যায় না। সেই বিশ্বাসকে ধারণ করেই এলাকার শিক্ষাপ্রেমী মানুষের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় হরেকৃষ্ণ কুসুমকলি উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষা বিস্তারের মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় [প্রতিষ্ঠাবর্ষ লিখুন] সালে, [উপজেলা/জেলা লিখুন] অঞ্চলের অগ্রগামী শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।
গ্রামীণ জনপদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয়টি শুরু হয়েছিল মাত্র কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং সীমিত অবকাঠামো নিয়ে। প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত হতো অস্থায়ী কক্ষে। তবে শিক্ষক, পরিচালনা পরিষদ এবং স্থানীয় সমাজের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে এটি একটি সুপরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপ লাভ করে।
শুরু থেকেই বিদ্যালয়ের লক্ষ্য ছিল—গুণগত শিক্ষা প্রদান, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা। একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সামাজিক কার্যক্রমেও বিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।
বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে রয়েছে [শ্রেণি পরিসীমা লিখুন, যেমন: ষষ্ঠ থেকে দশম] পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম, সুসজ্জিত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব, সমৃদ্ধ খেলার মাঠ এবং আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ। দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলীর মাধ্যমে বিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে উন্নতি অর্জন করে যাচ্ছে।
বিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের শুধু বইপড়ুয়া না করে—তাদের সৎ, নৈতিক, সৃজনশীল, পরিশ্রমী ও আধুনিক চিন্তাশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। দেশের সুশিক্ষিত ও মানবিক প্রজন্ম গঠনে হরেকৃষ্ণ কুসুমকলি উচ্চ বিদ্যালয় অঙ্গীকারবদ্ধভাবে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে এবং আগামী দিনেও এই উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখবে—এটাই আমাদের বিশ্বাস।

শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং সভ্য সমাজ গঠনে শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যে "হরেকৃষ্ণ কুসুমকলি উচ্চ বিদ্যালয়" প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে অঙ্গীকারবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে।